প্রসঙ্গত, পাওয়ার গ্রিড আন্দোলনকে সামনে রেখে ভাঙড়ের পোলেরহাট ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের মাছিভাঙা, খামারআইট, নতুনহাট,গাজিপুর, মিদ্দে পাড়ার কয়েক হাজার সাধারণ মানুষ তৃণমূল বিরোধী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পোলেরহাট ২ গ্রাম পঞ্চায়েতে জমি কমিটির দাপটের সঙ্গে কার্যত তৃণমূল কংগ্রেস আজও এঁটে উঠতে পারেনি। এই অবস্থায় একুশের বিধানসভা ভোটের আগে জমি কমিটি থেকে তৃণমূলে প্রায় কয়েশো আন্দোলনকারীর যোগ দেওয়া নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। এই যোগদানে খুশি তৃণমূল নেতৃত্বও।
উল্লেখ্য ২০১৭ সালে ১৭ জানুয়ারি ভাঙড়ের পোলেরহাট-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের খামারআইট মাছিভাঙা এলাকায় ইলেকট্রিক সাবসেন্টারকে সামনে রেখে বিশাল উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। রণক্ষেত্র হয়ে উঠেছিল এলাকা। সংঘর্ষের ঘটনায় ৪ জন নিহত হন। এরপর গঙ্গা দিয়ে বয়ে গিয়েছে অনেক জল। পোলেরহাট-২ পঞ্চায়েত বোর্ড তৃণমূল গঠন করলেও আজও পঞ্চায়েতে গিয়ে উঠতে পারেনি তৃণমূলের প্রধান, উপপ্রধানরা। এমত অবস্থায় জমি জীবিকা কমিটির পক্ষ থেকে আমফানের ক্ষতিপূরণে দুর্নীতি নিয়ে একাধিকবার আন্দোলন হয়েছে। সেসব কিছুর মাঝে কয়েশো পাওয়ার গ্রিড বিরোধী আন্দোলনকারী শাসকদলে যোগ দেওয়ায় খুশি এলাকার তৃণমূল নেতৃত্ব।
August 10, 2020 from Ekhon Somoi
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন