সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সুমনের আরও সংযোজন, 'কেউ যদি গলায় দড়ি দিয়ে সুইসাইড করে, তাহলে ঘাড়ের কাছে একটা দাগ থাকার কথা। অথচ সুশান্তের কপালে ছিল একটি কাটা দাগ, যা সন্দেহজনক। সুশান্তের চেহারায় কোনও বিকৃতি ঘটেনি। অনেকেরই দেখে মনে হয়েছিল সুশান্তকে অতিরিক্ত ড্রাগ খাইয়ে খুন করা হয়েছে। সুশান্ত নিজে এত লেখালেখি করত, সুইসাইড করলে একটা নোট ও অবশ্যই রেখে যেত। নিজের ঘনিষ্ঠদের কিন্তু সুশান্ত জানিয়েছিল যে ও বিপদের মধ্যে আছে'। এই সমস্ত কিছু তদন্ত করে দেখা দরকার।
রিয়া চক্রবর্তীকে নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন শেখর। তিনি মনে করছেন,'খুব সম্ভবত রিয়াকে একটা টোপ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। এই ঘটনার পিছনে আসলে অনেক বড় হাত রয়েছে। রিয়াই একমাত্র দোষী, এরকম একেবারেই বলছি না। গোটা ষড়যন্ত্রে রিয়াকে ঘুটি হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। ওকে সামনে রেখে নিজেদের আড়াল করার চেষ্টা করছে আসল অপরাধীরা। সিবিআই নিজের মতো তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের ধরুক'।
প্রসঙ্গত, সুশান্তের মৃত্যুর পরই প্রতিবাদে সরব হন সুমন। তিনি পটনায় সুশান্তের পরিবারের আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে গিয়ে দেখা করে আসেন। পরে সাংবাদিক বৈঠক করে সিবিআই তদন্তের দাবি জানান। কিন্তু সেখানে আরজেডি নেতা উপস্থিত থাকায় অনেকই মন্তব্য করেন যে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার জন্যই সুমন এমনটা করছেন। এরপর তিনি সুশান্তের মৃত্যুর একমাস পূর্ণ হওয়ার পর মোমবাতি জ্বালিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন, প্রতিবাদের ডাক দেন। দেশের নামী-দামি মানুষ সহ অনেকই যোগ দেন তাঁর সঙ্গে। সুশান্তের মৃত্যুর তদন্তের জন্য প্রথম থেকেই সিবিআই চাইছিলেন শেখর সুমন। ‘জাস্টিস ফর সুশান্ত’ নামে একটি গ্রুপও তৈরি করেন। তিনি অবশ্য দুঃখ করে একথাও বলেন যে সুশান্তের পরিবারের তরফ থেকে তিনি রকম সাহায্য পাননি।
August 07, 2020 from Ekhon Somoi
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন