প্রসঙ্গত গত ১০ অগাস্ট মালদার গাজোলে বিশ্ব আদিবাসী দিবসের একটি সরকারি অনুষ্ঠানে কৃষ্ণেন্দুবাবু উপস্থিত ছিলেন। সেই অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সাবিত্রী মিত্র, জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্র, ইংরেজবাজার পুরসভার প্রশাসক বোর্ডের সদস্য দুলাল সরকার সহ জেলা প্রশাসনের বেশ কিছু আধিকারিকগণ। এখন কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী করোনা আক্রান্ত হতেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত বাকিদের মধ্যে ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছে কিনা, সে বিষয়ে একটা আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, এদিন ভোরেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন বিধায়ক সমরেশ দাস। ফলতার বিধায়ক তমোনাশ ঘোষের পর এবার এগরার তৃণমূল বিধায়কও করোনায় প্রাণ হারালেন। এদিন ভোর ৪টে বেজে ২৫ মিনিট নাগাদ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। গত ১৬ জুলাই থেকেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। ভেন্টিলেশন সাপোর্টে ছিলেন। গত এক সপ্তাহ ধরে দ্রুত শারীরিক অবস্থার অবনতি হয় কোভিড আক্রান্ত বিধায়কের।
August 17, 2020 from Ekhon Somoi
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন