কারখানা সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে নির্দিষ্ট সময়েই শ্রমিকরা কাজ করতে এসেছিলেন।
কারখানার ভিতরে ওই যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। যুবকের গলায় কাটা দাগ ছিল, শরীরে একাধিক ক্ষত চিহ্ন ছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছল পুলিস। দেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এটিকে খুনের ঘটনা বলেই মনে করছে পুলিস।
বিকালেই কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। বিকাল পর্যন্ত কারখানায় কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা চোখে পড়েনি শ্রমিকদের। রাতেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে পুলিস মনে করছে। তবে কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরও রাতে ওই শ্রমিক কী করছিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ঘটনাস্থলে উল্টোডাঙা পুলিসের হোমিসাইড শাখা।
August 19, 2020 from Ekhon Somoi
August 19, 2020 from Ekhon Somoi
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন